ঢাকা | বঙ্গাব্দ
.

প্রণোদনা বঞ্চনার অভিযোগে ক্ষুব্ধ বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারীরা, তদন্তে ইউএনও

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 11, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন:
ad728
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিলেট ও হবিগঞ্জ অঞ্চলে বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পাচার প্রতিরোধে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবীদের সরকারি প্রণোদনা আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে স্থানীয় ‘পাখি প্রেমিক সোসাইটি’।
সংগঠনের পক্ষ থেকে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর দাখিল করা অভিযোগটি বর্তমানে তদন্ত করছেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহিদ বিন কাসেম।
শনিবার (১১ এপ্রিল) স্বেচ্ছাসেবী বন্যপ্রাণী সংগঠনের কয়েকজন নেতা সাংবাদিকদের সামনে তদন্ত কার্যক্রমে বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত তদন্ত শুরু ও শেষ করার দাবি জানান।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারীদের জন্য ৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রণোদনার বিধান রয়েছে। তবে বিগত কয়েক বছরে শতাধিক বন্যপ্রাণী উদ্ধার এবং একাধিক মামলা দায়ের হলেও কোনো স্বেচ্ছাসেবী এ প্রণোদনা পাননি।
সংগঠনের দাবি, বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা উদ্ধারকারীদের নাম গোপন রেখে বা নাম ভাঙিয়ে প্রণোদনার অর্থ উত্তোলন করেছেন। অথচ স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা নিয়মিত সাপ, পাখি ও কচ্ছপসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়ে আসছেন।
পাখি প্রেমিক সোসাইটির নেতারা প্রণোদনা বিতরণের স্বচ্ছ তালিকা প্রকাশ, অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ভবিষ্যতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রণোদনা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।
সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, “গত পাঁচ বছরে কারা প্রণোদনা পেয়েছে, তার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তদন্ত কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে—এটি দ্রুত শুরু করে শেষ করতে হবে।”
এ বিষয়ে ইউএনও অফিস সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে সিলেট অঞ্চলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে তথ্য চাওয়া হলে তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন এবং অনিয়মের বিষয়টি যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : NEWS Editor

কমেন্ট বক্স